করোনা ভাইরাসের জেরে লকডাউন, তার ওপর আর্থিক সঙ্কট সব মিলিয়ে দেশের রেস্তোরাঁ ইন্ডাস্ট্রির ওপর বিরাট ধাক্কা এসে পড়েছে। যার ফলে এই ক্ষেত্রের আয় অনেক কমে এসেছে । সংবেদনশীল পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে কীভাবে রাজস্বের উৎস বের করা যায় সেই চিন্তাকে সামনে রেখে এখন হোম ডেলিভারিকেই মডেল হিসাবে গ্রহণ করেছে রেস্তোরাঁ ইন্ডাস্ট্রি। ফুডপান্ডা, হাংরি নাকি, উবার ইটস, পাঠাও, সহজের মতো অ্যাপের কল্যাণে এখন ঘরে বা অফিসে বসেই প্রিয় রেস্টুরেন্টের প্রিয় খাবার আনা যায়। বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে খাওয়ার এই নতুন প্রবণতার যুগে একই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার ধরনও। অনেক রেস্টুরেন্ট আছে যেগুলোর আছে শুধু রান্নাঘর আর স্টোররুম। স্টাফ বলতে শুধু রাঁধুনী ও তার সহযোগী। বসে খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। কারণ এসব রেস্টুরেন্টের অর্ডার আসে অনলাইনে। গ্রাহককে খাবার পৌঁছে দেয় ফুডপান্ডা বা উবার ইটসের মতো ফুড অ্যাগ্রিগেটররা। এর ফলে এখন রেস্টুরেন্ট ব্যবসা হয়ে গেছে অনেকটাই সহজ ও ঝামেলামুক্ত। এতে প্রাথমিক পুঁজিও লাগছে অনেক কম। মূলত এ ধরনের রেস্টুরেন্টেরেই পোশাকি নাম ‘ক্লাউড কিচেন’। আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের ক্রমবর্ধমান এই...